Skip to main content

Posts

মিডিয়ার শব্দচয়ন ও শব্দের সাথে পরিচয়ের যোগ

  খেয়াল করে দেখেছেন শব্দের সাথে মানুষকে বা গ্রুপ অফ মানুষকে ট্যাগ করা হয়। যেমন জঙ্গি কথাটা শুনলে আপনার কার কথা ভেসে উঠে? একটা স্পেসিফিক গ্রুপ এর কথা তাই না? আর দুর্বৃত্ত শব্দ বলা হলে কিন্তু এরকম কোন স্পেসিফিক ব্যক্তি বা গ্রুপের কথা মাথায় আসে না । অথচ এদের কাজ এর মধ্যে কোন পার্থক্য আছে? একই কাজের জন্য আলাদা আলাদা নাম দেয় কেন মিডিয়া? একই কাজ । কিন্তু মিডিয়ার শব্দচয়ন ভিন্ন। শব্দদ্বয় শোনার পর মানুষের ইন্টারনাল ইমোশনাল রেস্পন্স এর মাত্রাও ভিন্ন।
Recent posts

বিজ্ঞান এক সমতায়ন শক্তি

  নোবেল জয়ী ওমর এম ইয়াঘি বলেছেন যে বিজ্ঞান হল অন্যতম  সমতায়ন শক্তি। একসময় চরম সংকটে জীবনযাপন করা ও চরম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যাওয়া ব্যক্তি হয়েছেন নামকরা রসায়নবিদ। পেলেন নোবেল পুরস্কার।  তবে বিজ্ঞান এর এই ভূমিকা  শুধু গবেষক হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না। আপনি সময়োপযোগী যে কোন দক্ষতা অর্জন করেই এই সুবিধা নিতে পারবেন। বড় কিছু করে ফেলতে পারবেন।  আমি বলব যাদের জীবনে বড় কিছু করার আকাঙ্ক্ষা আছে তাদেরই উচিত দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হওয়া । 

প্যারাগ্রাফ এ কি কি অংশ থাকে - প্যারাগ্রাফ হল একাডেমিক রাইটিং এর একক

আমরা যখন কোন রচনা লিখব বা রিসার্চ পেপার এর অংশ লিখব তখন পুরো রচনা এক প্যারাতে কখনোই লিখব না। এটা আমরা  সবাই জানি ও মেনে চলি। কারণ হলো এক প্যারাতে পুরো রচনা লিখে ফেললে পাঠককে বোঝার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।  ১। আমাদের রচনায় বিভিন্ন আর্গুমেন্ট/ আইডিয়া থাকবে যেগুলো একসাথে মিলে রচনাকে পূর্ণতা দিবে। সব আর্গুমেন্ট বা আইডিয়া এক প্যারাগ্রাফে দিলে আর্গুমেন্টগুলোকে আলাদা করে বোঝা ও দীর্ঘসময় মনে রাখা কঠিন। বক্তব্যকে নির্দিষ্ট সিস্টেমে আলাদা কয়েকটি অংশে ভাগ করে লিখলে এগুলোকে আলাদা ভাবে বোঝা যায়, এদের মধ্যে সম্পর্ক বোঝা যায় ও দীর্ঘক্ষণ মনে রাখা যায়। ২/ এক জায়গায় অনেক তথ্য থাকলে চোখের জন্য অস্বস্তির কারণ হবে। বিভিন্ন আর্গুমেন্ট/পয়েন্ট/আইডিয়াগুলোর মাঝে ফাঁকা  রাখা হলে চোখের জন্য আরামদায়ক হবে। একটা প্যারা/প্যারাগ্রাফে কি কি থাকা উচিত ১/ মূল ধারণা (Topic Sentence) প্রতিটি প্যরার একটি মূল ধারণা বা বার্তা থাকে । অর্থাত, একটা প্যরাতে একটাই মূল বার্তা বা আর্গুমেন্ট থাকবে।  এই মূল বার্তাকেই বলা হয় টপিক সেন্টেন্স। এটাকে আমরা মেইন পয়েন্ট (main point) ও বলতে পারি। ২/ সহায়ক ধারণ...

ইংরেজিতে অনর্গল ও শুদ্ধভাবে কথা বলতে হলে কি কি করতে হবে?

 ইংরেজিতে অনর্গল ও শুদ্ধভাবে কথা বলতে হলে যা যা করতে হবেঃ - ইংরেজিতে চিন্তা করার অভ্যাস গড়ে তোলাঃ আমরা বিদেশি ভাষা হিসেবে ইংরেজিতে  যারা কথা বলি তারা প্রথমে মস্তিষ্কে বাংলায় বক্তব্য তৈরি করি ও পরে সেখানেই বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তর করি, যার ফলে ইংরেজিতে কথা বলতে সময় বেশি লাগে, কথার গতি কমে যায়। এক্ষেত্রে করণীয় হচ্ছে ইংরেজিতেই চিন্তা করার অভ্যাস তৈরি করা।  - প্রচুর চর্চা করাঃ অনর্গল ও দ্রুত ইংরেজিতে কথা বলতে হলে প্রচুর চর্চা করতে হবে। নিজে নিজে আয়নার সামনে ও অন্য কারো সাথে যেমনঃ বন্ধু, রুমমেট, পরিবারের সদস্যাবা অন্য কোন পার্টনার।  - গ্রামার শেখাঃ ইংরেজি ব্যাকরণ না হলে বাক্যগঠনে কিছু ভুল হতে পারে। বিশেষ করে বাক্যের মৌলিক গঠন, বিভিন্ন ক্রিয়ার কালে বাক্যের গঠন ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি। - ভোকাবুলারি শেখাঃ নতুন শব্দ তো শিখতেই হবে তাই না? বাংলায় ব্যবহৃত কোন শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ না জানলে তো আটকে যাবেন। টেক্সটবুক, পত্রিকা ইত্যাদি পড়া ও ইংরেজি শোনার সময় কোন নতুন/অপরিচিত শব্দ এলে তার অর্থ খুঁজে বের করতে হবে। একই শব্দের অর্থ কয়েকবার দেখা হলে ও বাস্তবে ব্যবহার ক...

বই থেকে নেয়া -" ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সঃ নববি দর্পণে সমকালীন ধারণা"

রাসুলুল্লাহ সঃ এর ঘটনাবহুল জীবনীতে এমন অনেক ঘটনা আছে যেগুলো বর্তমানে বহুল আলোচিত বিষয় 'ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স ' এর আলোচনায় উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে। অন্যভাবে যদি বলি 'আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা' নামে যে দক্ষতাটি আধুনিক বিশ্বে  অনেক গুরুত্ব পাচ্ছে, সেটিকে মুহাম্মাদ সঃ এর জীবনে খোঁজার মাধ্যমে বিষয়টাকে মুসলিমদের মধ্যে আরো জনপ্রিয় করা, আরো সহজভাবে তুলে ধরা যায়। এ বইতে মনে হচ্ছে আধুনিক আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার যে ধারণা তা রাসুল সঃ এর জীবনের সাথে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তার অনুসন্ধান করা হইছে। ভূমিকাতে রাসুল সঃ এর জীবনের কিছু ঘটনা আনা হইছে যা থেকে বোঝা যায় তিনি মানুষের আবেগ-অনুভূতির গুরুত্ব দিতেন এবং সে অনুযায়ী তাদের সাথে কথা বলতেন, প্রশ্নের জবাব দিতেন। বইটা পড়লে মুসলিমদের  যারা রাসুলুল্লাহ সঃ কে অনুসরণ করার চেষ্টা করে তারা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স অর্জন ও প্রয়োগের দ্বীনী তাৎপর্য জানবে এবং তারা এটিকে দুনিয়াবী ফায়দার পাশাপাশি আখিরাতের সওয়াবের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ মনে করবে।

Fixed vs Growth Mindset (স্থিরতা ও বর্ধনশীলতার মানসিকতা)

মানুষের মাইন্ডসেট বা চিন্তাজগত বা মনোজগতকে দুইভাগে ভাগ করেছেন একজন মনোবিজ্ঞানী ও লেখক জনাব ক্যারল এস ডিউইক । মানুষের চিন্তাজগতের উপরই তার সব কাজ নির্ভর করে এবং সে কিভাবে চিন্তা করে তা তার সফলতাকে অনেকাংশে প্রভাবিত করে। দুইটি ভিন্ন চিন্তাজগত হলঃ ফিক্সড মাইন্ডসেট এবং গ্রোথ মাইন্ডসেট   ফিক্সড মাইন্ডসেট   গ্রোথ মাইন্ডসেট এধরনের মানুষ মনে করে তার বুধিমত্তা পূর্বনির্ধারিত/ জন্মগত এবং নির্দিষ্ট। এরা মনে করে চর্চা ও নতুন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে  বুদ্ধিমত্তা বাড়ে বা আরো উন্নত হয়। এরা সাধারণত সহজ ও পরিচিত কাজের মাধ্যমে নিজের বুদ্ধির/সক্ষমতার  প্রমাণ করতে ব্যস্ত থাকে, ব্যর্থতার ঝুঁকি আছে এমন কাজে হাত দিতে ভয় পায়। এরা মনে করে ব্যর্থতা থেকে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ব্যর্থতাই সফলতার সিঁড়ি।তাই তারা কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং কাজে পুর্ণ উদ্যমের সাথে অংশ নেয়।  এরা ইন্টেলিজেন্স বা বুদ্ধিমত্তাকে সফলতার/ব্যর্থতার একমাত্র কারণ /মাধ্যম মনে করে। এরা মনে করে পরিশ্রম করে সব বাঁধা পেরোনো ও সফলতা ...

Resources on making Slides and Presentation that may Enhance Your Presentation many Times

Presentation Secrets Brain Rules for Presenters Steal this presentation 10 Things your Audience Hates About your Presentation প্রেজেন্টেশন দেয়ার সময় দর্শক-শ্রোতাবৃন্দের পছন্দ - অপছন্দের খেয়াল রাখা গুরুত্বপূর্ণ।  তথ্য-উপাত্তের উপর অত্যধিক জোর দেয়া ঃ People Remember Stories, Not Facts ।  অগোছালো বর্ণনাঃ বিক্ষিপ্তভাবে প্রেজেন্টেশনের কন্টেন্ট সাজালে দর্শকরা মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। প্রথমেই একটা আউটলাইন বা রোডম্যাপ ঠিক করে নেয়া উচিত যেটা দর্শকরা ফলো করবে বা তারা একটার সাথে আরেকটার কানেকশন বুঝতে পারবে। অন্যভাবে যদি বলি আপনার আলোচনায় বিষয়ের প্রবাহ যেন স্মুথ  ‍(Smooth) হয় এলোমেলো যেন না হয়। অত্যধিক এনিমেশন ও ট্রানজিশনের ব্যবহারঃ যদিও এনিমেশন ও ট্রানজিশন প্রেজেন্টেশন কে   Do's and Don'ts of Giving a Killer Presentation Recipe for a Killer Presentation