Skip to main content

Posts

Showing posts from August, 2024

ইংরেজিতে অনর্গল ও শুদ্ধভাবে কথা বলতে হলে কি কি করতে হবে?

 ইংরেজিতে অনর্গল ও শুদ্ধভাবে কথা বলতে হলে যা যা করতে হবেঃ - ইংরেজিতে চিন্তা করার অভ্যাস গড়ে তোলাঃ আমরা বিদেশি ভাষা হিসেবে ইংরেজিতে  যারা কথা বলি তারা প্রথমে মস্তিষ্কে বাংলায় বক্তব্য তৈরি করি ও পরে সেখানেই বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তর করি, যার ফলে ইংরেজিতে কথা বলতে সময় বেশি লাগে, কথার গতি কমে যায়। এক্ষেত্রে করণীয় হচ্ছে ইংরেজিতেই চিন্তা করার অভ্যাস তৈরি করা।  - প্রচুর চর্চা করাঃ অনর্গল ও দ্রুত ইংরেজিতে কথা বলতে হলে প্রচুর চর্চা করতে হবে। নিজে নিজে আয়নার সামনে ও অন্য কারো সাথে যেমনঃ বন্ধু, রুমমেট, পরিবারের সদস্যাবা অন্য কোন পার্টনার।  - গ্রামার শেখাঃ ইংরেজি ব্যাকরণ না হলে বাক্যগঠনে কিছু ভুল হতে পারে। বিশেষ করে বাক্যের মৌলিক গঠন, বিভিন্ন ক্রিয়ার কালে বাক্যের গঠন ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি। - ভোকাবুলারি শেখাঃ নতুন শব্দ তো শিখতেই হবে তাই না? বাংলায় ব্যবহৃত কোন শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ না জানলে তো আটকে যাবেন। টেক্সটবুক, পত্রিকা ইত্যাদি পড়া ও ইংরেজি শোনার সময় কোন নতুন/অপরিচিত শব্দ এলে তার অর্থ খুঁজে বের করতে হবে। একই শব্দের অর্থ কয়েকবার দেখা হলে ও বাস্তবে ব্যবহার ক...

বই থেকে নেয়া -" ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সঃ নববি দর্পণে সমকালীন ধারণা"

রাসুলুল্লাহ সঃ এর ঘটনাবহুল জীবনীতে এমন অনেক ঘটনা আছে যেগুলো বর্তমানে বহুল আলোচিত বিষয় 'ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স ' এর আলোচনায় উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে। অন্যভাবে যদি বলি 'আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা' নামে যে দক্ষতাটি আধুনিক বিশ্বে  অনেক গুরুত্ব পাচ্ছে, সেটিকে মুহাম্মাদ সঃ এর জীবনে খোঁজার মাধ্যমে বিষয়টাকে মুসলিমদের মধ্যে আরো জনপ্রিয় করা, আরো সহজভাবে তুলে ধরা যায়। এ বইতে মনে হচ্ছে আধুনিক আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার যে ধারণা তা রাসুল সঃ এর জীবনের সাথে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তার অনুসন্ধান করা হইছে। ভূমিকাতে রাসুল সঃ এর জীবনের কিছু ঘটনা আনা হইছে যা থেকে বোঝা যায় তিনি মানুষের আবেগ-অনুভূতির গুরুত্ব দিতেন এবং সে অনুযায়ী তাদের সাথে কথা বলতেন, প্রশ্নের জবাব দিতেন। বইটা পড়লে মুসলিমদের  যারা রাসুলুল্লাহ সঃ কে অনুসরণ করার চেষ্টা করে তারা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স অর্জন ও প্রয়োগের দ্বীনী তাৎপর্য জানবে এবং তারা এটিকে দুনিয়াবী ফায়দার পাশাপাশি আখিরাতের সওয়াবের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ মনে করবে।